আজ – দাস (কাঁসারি) বাড়ী, হাটখোলা, শোভাবাজার ।

আজ – দাস (কাঁসারি) বাড়ী, হাটখোলা, শোভাবাজার ।

বিরতিটা একটু বেশি নিয়ে নেওয়ায় নিজেরই কেমন যেন মনে হচ্ছে ।

৫ মাস পরে আবার লিখতে বসলাম, যা নিয়ে লিখব তার তথ্য সংগ্রহ করেছি গত বছর পুজোর আগে । কিন্তু অলস বাঙালি ও পীড়া জর্জরিত বাঙালি তো , তাই এত সময় লাগলো ।

পুরনো বাড়ীর ওপর কয়েকটি লেখা আগে লিখেছিলাম । সেই লেখাগুলিতে আরেকটি সংযোজন , আজ শোভাবাজারের হাটখোলার কাঁসারি বাড়ী ।  

1

শোভা বাজার স্ট্রীট ধরে গঙ্গা অব্ধি যেতে চাইলে গাড়ি বারান্দা দেওয়া এই বিশাল বাড়িটি চোখে পড়বেই । এর ঠিক পাশের বারিটিই বিখ্যাত বি কে পালের ।

কংস সম্প্রদায়ের দাস পরিবারের এই বাড়ীর বয়স ১৭০ । সদর দরজা  পেরিয়েই উঠোন । দেওয়ালে সার দিয়ে বাইসন ও হরিণের শিং ।

2

4

7

ডান পাশে সিঁড়ি উঠে গেছে ছাদ পর্যন্ত । দোতলায়ে ঠাকুর ঘরে গৃহ দেবতা শাল্গ্রাম শিলা । নিত্য পুজো ছাড়াও লক্ষ্মী পুজো, অন্নপূর্ণা পুজো হয় , অনেকদিন আগে বড় করে দূর্গা পুজো ও হত ।

8

13

12

পুরনো আসবাবে সাজানো এ বাড়ি , সে আলমারি আয়না থেকে নিয়ে ঠাকুরের প্রদীপ প্রজ্জ্বল রাখার জন্য  “মেড  ইন লন্ডন “ কাঁচের বাক্স / লন্ঠন ।

19

9

10

সেই সময়ের ধাঁচে এই বাড়িও মাঝে উঠোন রেখে চারদিকে বারান্দা ও সারি দেওয়া ঘর ।

21

5

6

18

15

22

আজও এ বাড়ীতে ঢুকলে এক লহমায় সময় যেন পিছিয়ে যায়, সম্বিত ফেরে স্মার্ট ফোনের রিংটোনে ।

14

16

17

এখন এ বাড়ীতে এ তরফের পাঁচ ভাই বঙ্কুনাথ দাস, হৃষীকেশ দাস, হরনাথ দাস, যামিনীনাথ দাস ও রবীন্দ্রনাথ দাস (সকলেই স্বর্গত) এর উত্তরপুরুষরা বসবাস করছেন ।

20

23
মঞ্জু দাস

এখন পুরনো স্মৃতি সহ সত্তরোর্ধ থেকে সবে কথা বলতে সেখা যমজ, এই বাড়ীই তাদের প্রাণ ।

 

কৃতজ্ঞতা  :

মঞ্জু দাস, সুনন্দা রায়, দ্বিজেন্দ্র দাস, দেবব্রত দাস ।


— র দ ।

 

Advertisements

শেফস টক

শেফস টক

গত রোববার, ৩১শে জানুয়ারী পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের রন্ধন পটু বা শেফেদের আলোচনা সভা বসেছিল কলকাতার হোটেল হায়াৎ রিজেন্সিতে । ইয়াং শেফ অলিম্পিয়াড এর একটি অংশ, এই আলোচনায় বহু জিনিষ নিয়ে কথা হয়।

4

2

ইন্টারন্যাশানাল ইন্সটিটিউট অফ হোটেল ম্যানেজমেন্ট দ্বারা পরিচালিত এই অনুষ্ঠানের সঞ্চালনা করেন সুবর্ণ বোস।

5

প্যানেলিস্ট প্রফেসর ডেভিড ফস্কেট  খাদ্য রসিকদের কথা বলে বললেন যে এই ক্রেতারা কিন্তু সারা বিশ্ব ঘুরছে । তাঁরা খাবার বোঝেন, তাই সেটা যদি বিশ্বমানের না হয় তো সেই গ্রাহক আর আসবেননা । ট্যুরিজম ইন্ডাস্ট্রির উন্নতি প্রকল্পে সকলকে এগিয়ে আসার অনুরোধও করেন।

8

শেফ এরিক নিওর বক্তব্যে এলো নিরামিষ খাবারের চাহিদার কথা।

11

যার রেশ টেনে শেফ স্যাবি বলেন যে বিশ্ব বাজারে নিরামিষ খাবার ঊর্ধ্বমুখী । তাঁর রান্নাঘরেও  পটল ও কাঁচকলার কদর বেড়েছে।

তবে চাহিদা অনুযায়ী শেফ না পাওয়াটা যে এই ইন্ডাস্ট্রির জন্য খারাপ সেই নিয়ে আক্ষেপ শোনা গেল শেফ আন্ডি ভার্মা ও শন কেনওয়ার্দির গলায় ।

7

শেফ অভিজিৎ সাহা উল্লেখ করেন যে আঞ্চলিক স্বাদের মেলবন্ধন তাঁর খাবারকে আরও সজীব করে তোলে।

9

শেফ কুনাল কপুরের কথায় উঠে আসে সময়ের সাথে পালটানোর কথা। কারণ আজ হোটেল রেস্তোরাঁ অনেক। তাদের মাঝে নিজেকে জিইয়ে রাখতে গেলে উনি নিজেই ৬ মাস অন্তর মেনু পালটান।

মার্কিন, টাঞ্জানিয়ান, রোমানিয়ান শেফেরা সকলেই শিক্ষার উপর জোর দেওয়ার জন্য সওয়াল করেন।

এই আলোচনায়  সুইসোটেল ও হায়াতের জেনেরাল ম্যানেজার মার্কো স্যাক্সার ও ব্রিটা লাইক মিল্ড উপস্থিত ছিলেন ।

19

18

শেষে ছিল হাই টী যাতে চা ও কুকীর সঙ্গেই ছিল বিভিন্ন রকমের আমিষ, নিরামিষ পদ এবং অবশ্যই মুখ মিষ্টির আয়োজনে তিরুমাসু ।

14

17

15

16

#SocialBong

এপিজে কলকাতা লিটারারী ফেস্টিভাল ২০১৬” #AKLF2016

এপিজে কলকাতা লিটারারী ফেস্টিভাল ২০১৬” #AKLF2016

বাদল সরকার , এই নামটি এপিজে কলকাতা লিটারারী ফেস্টিভাল ২০১৬#AKLF2016 সঙ্গে ওতপ্রোত ভাবে জড়িয়ে গেল গত ১৪ই জানুয়ারী ২০১৬ । উৎসবের সূচনাটি হল ওনার হাত ধরেই । ওনার নাটকের উপর আধার করে অপর্ণা সেনের প্রথম হিন্দি ছবি “সারি রাত” ও অঞ্জুম কাটিয়ালের “ বাদল সরকার : টুওয়ার্ডস আ থিয়েটার অফ কন্সাইন্স” নামক বই প্রকাশ ।

 

বিকেল থেকেই সাজ সাজ রব ছিল নন্দন চত্বরে । একে একে অতিথীরা আসতে থাকেন। ছবির পরিচালক অপর্ণা সেন ও কল্যান রায়, অক্সফোর্ড বুক স্টোর ডিরেক্টর ম্যায়না ভগত, অভিনেতা বরুন চন্দ, আরিন্দম শীল, দিলীপ ও শোভা ডে, উৎসবের প্রধান অতিথী বেন ওক্রী ও শার্লট, জয়ন্ত কৃপলানী, বনানী কক্কড়, দেবজ্যোতি মিশ্র প্রমূখেরা উপস্থিত হলে অঞ্জুম কাটিয়ালের বই প্রকাশ দিয়ে উৎসবের সূচনা ।

অপর্ণা সেন তাঁর বাদলদার বিষয়ে বই প্রকাশে অভীভূত, ছবির অভিনেতা অঞ্জন দত্ত বাদল সরকারের কাছে শিক্ষার কথা উল্লেখ করেন।

শুরু হয় “ সারি রাত”। নাটক যে , তা পুরোমাত্রায় ধরে রাখার চেষ্টা হয়েছে। হিন্দী ভাষায় সকলকেই একটু আড়ষ্ট লাগলেও অভিনয় দিয়ে সেটা উৎরে দিয়েছেন অঞ্জন দত্ত , ঋত্বিক চক্রবর্তী ও কঙ্কনা সেনশর্মা । আলোক সম্পাত ও শিল্প নির্দেশনা উল্লেখযোগ্য ।

11

————————————————————————————————————————-

দ্বিতীয় দিনে অনেক অনুষ্ঠানের সঙ্গে একটি ভিন্ন ধারার বই প্রকাশ করা হয় টলি ক্লাবে, ক্যাথরিন হারকাপ রচিত “ এ ফর আর্সেনিক : দি পয়সন্স অফ আগাথা ক্রিস্টি ”। শুরুর আগে ছোট একটি অনুনাটক অভিনীত হয় বিষ প্রয়োগ দেখাতে । বই প্রকাশ করেন কলকাতার ব্রিটিশ কাউন্সিলের প্রধান সুজাতা সেন । এরপরে আগাথা ক্রিস্টি, থ্রিলার এই সব নিয়ে আলোচনায় বসেন লেখিকা ক্যাথরিন হারকাপ, অনুজা চৌহান ও ডম হেস্টিঙস (আগাথা ক্রিস্টির ১২৫ বছর উপলখ্যে ব্লাডি স্কটল্যান্ড উৎসবের এর প্রধান) , পরিচালনা করেন সুমিত রায় । আগাথা ক্রিস্টির রসায়নের প্রতি যে অগাধ জ্ঞ্যান সেটাই উথে আসে ।

————————————————————————————————————————-

তৃতীয় দিনে এপিজে লনে স্কুলের বাচ্চাদের সাথে, তাদের বড় হওয়া ও সমস্যা নিয়ে “ সো ওয়াট ইফ আই হ্যাভ এ প্রবলেম , আই অ্যাম স্টিল গ্রোয়িঙ আপ ” নামক একটি আলোচনা বসে যাতে বক্তা ছিলেন দুজন – জেরিনিনিও আলমেইদা ও জিমি টাংরি । ছাত্রেরা অনেক প্রশ্ন করেন ও তার উত্তর চাওয়া হয় । কিছু প্রশ্ন : টাকা কতটা জরুরী ? আমাদের পছন্দসয়ী বিষয় পড়তে পারব কিভাবে ? ইত্যাদী ।

দুপুরে ভিক্টোরিয়ায় অঞ্জুম হাসানের “ দি কস্মোপলিটন্স ” প্রকাশ করেন কল্যান রায় , কথোপোকথোনে সৈকত মজুমদার ।

23

দ্বিতীয়ার্ধে রীমা আব্বাসির “ হিস্টরিক টেম্পলস ইন পাকিস্তান : আ কল টু কন্সাইন্স” প্রকাশ করেন কৃষ্ণা বোস। এর পর আলোচনায় অংশ নেন লেখিকা রীমা আব্বাসি, আমন নাথ ও বীনা সরকার ইলিয়াস, সঞ্চালনায় সাবা নাকভি । কি দুরূহ কাজ ছিল এই মন্দিরের খোঁজ সেটাই উঠে আসে।

এরপর অনুরাধা লোহিয়া প্রকাশ করেন মীরা স্যালের উপন্যাস “ দি হাউস অফ হিডেন মাদারস” ও তারপর আলোচনা চলে শোভা ডের সাথে।

এ দিনের সর্ব শেষে ছিল উৎসবের প্রধান অতিথী বেন ওক্রীর বই “দি এজ অফ ম্যাজিক” এর আনুষ্ঠানিক প্রকাশ । করেন সুজাতা সেন ।

28

————————————————————————————————————————-

চতুর্থ ও শেষ দিন শুরু হয় ক্যালকাটা ইন্সটাগ্রামার্স আয়োজিত হেরিটেজ ফটোওয়াক দিয়ে পার্ক স্ট্রিট গোরস্থান থেকে অক্সফোর্ড বুকস্টোর পর্যন্ত । তারপরে আলোচনা রঙ্গন দত্ত, সৌম্য শঙ্কর ঘোষাল ও সাম্যব্রত মল্লিকের সাথে।

এই সময়েই টাউন হলের সামনে শুরু হয় সোনাগাছির নেত্রী কেয়ার গল্প ও অনেক গল্পের সমাহারে রচিত “ রিভার অফ ফ্লেশ অ্যান্ড আদার স্টোরিস : দি প্রস্টিটিউটেড উওমান ইন ইন্ডিয়ান ফিকশান” । সম্পাদনা – রুচিরা গুপ্ত । আলোচনায় ছিলেন রত্নোত্তমা সেনগুপ্ত , নয়নিকা মুখর্জি ও মধুরিমা সিনহ । পাঠ করেন অপর্ণা সেন। রীমা আব্বাসির দর্শকাসন থেকে সামন্তরাল পাকিস্তানের কথা তুলে ধরা আলোচনায় এনেছে নতুন ভাবনা।

এরপর পরিচালক গৌতম ঘোষ প্রকাশ করেন অভিনেতা শত্রুঘন সিনহার জীবনী “এনিথিং বাট খামোশ : দি শত্রুঘন সিনহা বায়োগ্রাফী”। লেখক – ভারতী এস প্রধান । সঞ্চালনা করেন দীপা চৌধুরি । অভিনেতার জীবনের অনেক কথা জানা যায় আলোচনাটিতে।

39

বিকেলে পার্ক হোটেলে অস্ত্রেলিয়ার রন্ধন শিল্পী ক্রিস্টিন ম্যানফিল্ড“ডেসার্ট ডিভাস” প্রকাশ করে কয়েকটি পদ সবার সামনে বানিয়ে দেখান, সঙ্গে ছিলেন শরদ দিওয়ান ও মীরা স্যাল। তার সাথেই ছিল ওগুলি চেখে দেখা।

উৎসবের শেষ স্থান ছিল ভারতীয় যাদুঘর ।

প্রধান অতিথী বেন ওক্রী ওনার রচনা পড়ে সূচনা করেন।

এরপর মিডিয়া ও তার পরিবর্তিত রূপ নিয়ে বিতর্ক সভা চলে, অংশ নেন আশিস নন্দী, বীর সাঙভি, সাবা নাকভি, প্রেরণা লাঙ্গা ও রুচির জোশী ।

22

এই বিতর্ক দিয়েই শেষ হত এই উৎসব, কিন্তু না, সমাপতন ঘটে নাইজিরিয় নৃত্য দেখার পরিবেশ তৈরি করে। অনুরোধ স্বয়ং প্রধান অতিথীর । এর পরে কবির আবৃত্তির সাথে শার্লটের ব্যালে দিয়ে এপিজে কলকাতা লিটারারী ফেস্টিভাল ২০১৬ শেষ হয় । অপেক্ষা এক বছরের ।

43

44

 

কিছু রচনা ও শহর কলকাতা — এপিজে কলকাতা লিটারারী ফেস্টিভাল ২০১৬

কিছু রচনা ও শহর কলকাতা  — এপিজে  কলকাতা লিটারারী ফেস্টিভাল ২০১৬

1

বেস্ট সেলার ।। এই শব্দটি শুনলেই কয়েকজন  তরুণ সাহিত্যিকদের লেখা বইয়ের তাকের দিকে  তাকাতেই হয় । ভারতীয় ইংরাজি সাহিত্যে আজ নতুনদের জয় জয়কার ।  সেরকমই ৩ লেখককে নিয়ে আড্ডা বসেছিল কলকাতার মডার্ন হাই স্কুলে । “এপিজে  কলকাতা লিটারারী ফেস্টিভাল ২০১৬” #AKLF2016 শুরুর প্রাক্কালে কলকাতার  বিভিন্ন স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে লেখকদের এই আলাপচারীতা সত্যি এক অভিনব প্রয়াস।

4

 

অনুষ্ঠানের প্রথমেই এম.এইচ.এস এর ডাইরেকটর শ্রীমতী কর সকলকে অভ্যর্থনা জানান

5

অতিথীদের স্মারক দিয়ে সম্মান জানানো হয়।

6

স্কুল কয়র দুটি গান উপস্থাপন করে, একটি গত বছরের বইমেলার থিম সং , দ্বিতীয়টি এটলেটিকো কলকাতার থিম সং ।

7

এরপর অঞ্জুম কাটিয়াল তাঁর বক্তব্য রাখেন ।

11

ইন্দ্রাণী দাশগুপ্ত পল “টেক্সট ইন দ্য সিটি” নামক একটি রচনা লেখার কম্পিটিশন এর মূলপর্বে বাছাই ৩ জনের হাতে স্মারক তুলে দেন – লরেটো হাউসের স্রিজিতা পাল , গার্ডেন হাই স্কুলের রোশনি স্রিমানি ও ফিউচার ফাউন্ডেশন স্কুলের মায়াঙ্কমৌলী সিনহা ।

10

এরপর প্রদীপ জ্বেলে আনুষ্ঠানিক সূচনা করা হয়।

12

৩ জনের এক জন মঞ্চে ওঠেন । চেয়ার টেনে স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিমায়ে নিজের বই থেকে পড়তে শুরু করলেন অনুজা চৌহান ।

 

প্রেক্ষাগৃহে বেশীরভাগ যেহেতু কম বয়সী উনি পড়বার সময় “ বীপ” শব্দ দিয়ে পড়তে থাকেন ।

18

21

 

এরপর করতালির সঙ্গে মঞ্চ নেন দুর্জয় দত্ত এবং সব শেষে রবিন্দর সিং।

23

ছাত্র-ছাত্রীদের সঙ্গে প্রশ্নোত্তর পর্বে উঠে আসে  অনেক কথা । কিছু জানা কিছু অজানা ।

20

13

অনুজা – কাগজ কলমেই লিখতে স্বাচ্ছন্দ বোধ করেন । গল্পের মহিলা পাত্রীরা প্রায় সকলেই তাঁর চেনা কেউ । জীবন থেকে নিয়েই গল্প লেখেন, ৪০ ভাগ বানানো, বাকিটা আসল। আঞ্চলিক ভাষার নিজস্বতাকে দরকারে অগ্রাধিকার ।

19

দুর্জয় – স্কুলে পড়বার সময় মোটা ছিলেন । প্রথম বইয়ের পড়ে অর্কুটে বন্ধুরা বলত ভালো লেগেছে পড়ে ।  রোমান্টিক গল্প লেখের পরিচিতি ভেঙে রোমাঞ্চ লিখছেন, নভেম্বরে বেরোবে সেই বই।

22

রবিন্দর —  কলকাতায় জন্ম । বেড়ে ওঠা উড়িষ্যার কুড়লাতে । দুঃখ , আজও সেখানে কোনও বইয়ের দোকান নেই। টি.ভি.তে মহাভারতে দেখতেন দেবতারা আকাশ থেকে নেমে আসছেন আর বাচ্চা হয়ে যাচ্ছে, বিশ্বাস করতেন এটাই পদ্ধতি ।

17

হাসির রোলে মন জয় কলকাতার ভবিষ্যৎ প্রজন্মের, কলকাতার ও  ।

24

25

প্রধান শিক্ষিকা শ্রীমতী মুখোপাধ্যায়  সকলকে ধন্যবাদ জানান ।

15

16

14

বাগানে থরে থরে সাজানো বই, সেগুলো কিনে হাতে গরম সই করানোর মজাই আলাদা, এরপর সেটাই আরম্ভ হল, সঙ্গে নিজস্বি নেওয়া প্রিয় লেখকের সাথে । এক নিখাদ সকাল …… মনে থাকবে ।

ফটো ওয়াক – এপিজে কলকাতা লিটারারী ফেস্টিভাল ২০১৬

ফটো ওয়াক – এপিজে কলকাতা লিটারারী ফেস্টিভাল ২০১৬

পথ,পথিক,কথা,কাহিনী,স্থাপত্য,শহর,কলকাতা …… কয়েকটি শব্দ এবং আমার শহর ।

13

আর এই শহরেই এখন সাহিত্য উৎসব যার আনুষ্ঠানিক নাম “ এপিজে কলকাতা লিটারারী ফেস্টিভাল ২০১৬” । #AKLF2016.

14

১৪ ই থেকে ১৭ ই জানুয়ারী কলকাতার সাহিত্য প্রেমীরা কিছু বেশী পেতে চলেছেন ।

15

এই উৎসবের মেজাজটা বাঁধা হয়  ১০ তারিখের সকালে একটি ফটো ওয়াক বা পথ চিত্রের জমায়েতের মাধ্যমে । আয়োজনে  “সোশিয়াল বং” এর  “স্ট্রিট স অফ ক্যালকাটা” । পুরনো কলকাতা কে ওতোপ্রতো ভাবে জানা রঙ্গন দত্ত ছিলেন পুরোভাগে । ৮.৩০ টা থেকেই আনাগোনা শুরু হয়ে যায়ে কলেজ স্ট্রিট এর কফি হাউসের সামনে।

17

হাসি ঠাট্টার মাঝেই জনা ষাঠেক  মানুষ ইতিহাস জানতে তাঁর সঙ্গে হাঁটা শুরু করলেন।

1

5

2

6

4

7

আমি ইতিহাস জানিয়ে এই লেখা কে ভারাক্রান্ত করবনা , শুধু ছুঁয়ে গেলাম যা দেখলাম সেদিন।

1c

সংস্কৃত কলেজ

ইউনিভারসিটি ইন্সটিটিউট

জাহান খান মসজিদ

1a

৬, বঙ্কিম চন্দ্র স্ট্রিট ( ঋষি অরবিন্দ থাকতেন )

বেঙ্গল থিওসফিকাল সোসাইটি

1d

মহাবোধি সোসাইটি

ব্যাপ্টিস্ট মিশন চার্চ

IMG_9283

ডেভিড হেয়ারের সমাধি

কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়

হিন্দু স্কুল

18

IMG_931219

প্রেসিডেন্সী বিশ্ববিদ্যালয়

IMG_9335

IMG_9333

কলেজ স্ট্রিট মার্কেট

IMG_9337

ঠনঠনিয়া কালী মন্দির

21

সাধারণ ব্রাহ্ম সমাজ

1e

স্বামী বিবেকানন্দের বাসস্থান

অনেক তথ্য, অনেক ছবি, অনেক আনন্দ নিয়ে শেষ হওয়া এই ৫ ঘণ্টা মনে থাকবে বহু দিন।

8

ছবি – নিজস্ব  এবং  ইন্দ্রজিৎ লাহিড়ী ও রঙ্গন দত্ত  (কৃতজ্ঞতা স্বীকার)

 

 

 

আমার কলকাতা — আজ রায় বাড়ী

আমার কলকাতা — আজ রায় বাড়ী

আজ আবার লিখতে বসলাম কলকাতার পুরনো বাড়ী নিয়ে । কলকাতার প্রসিদ্ধ কিছু বংশের একটি হচ্ছে ভাগ্যকূলের রায় পরিবার । অধুনা বাংলাদেশের মুন্সিগঞ্জ এর অন্তর্গত ভাগ্যকূল ব্রিটিশ সাম্রাজ্যে এই পরিবারের হাত ধরেই পরিচীতি পায় । কুণ্ডু পদবীর এই পরিবার নুনের কারবারে এতটাই সফলতা পায় যে তারা জমিদারী লাভ করে, সঙ্গে উপাধি “রায়”, কেউ কেউ “রাজা” উপাধিতেও ভূষিত হয়েছেন ।

6

কর্মসূত্রে তৎকালীন রাজধানীতে আসাযাওয়া করতেই হত । উত্তর কলকাতার কুমোরটুলি, বেনিয়াটোলা অঞ্চলে তাঁদের আদী বাড়ী আজও আছে ।

শোভাবাজার এর এই বাড়িটি খুব পুরনো নয়, গত শতকের ৩০ এর শেষ ও ৪০ এর শুরুর দিককার এই বাড়ীতে স্বাধীনতার পরে পাকাপাকি বাস শুরু হয় ।

10

রায় পরিবার জমিদারীর সঙ্গে ব্যাবসাতেও সাফল্য লাভ করেছিল, উল্লেখযোগ্য কিছু – জাহাজ , পাট, জমি ও ব্যাঙ্ক (ইউনাইটেড ইন্ডাস্ট্রিয়াল ব্যাঙ্ক)।এই বাড়ীতে আজও সেই সব ইতিহাসের নিদর্শন চোখে পরে ।

11

1

বংশের কূলদেবতা শ্রী শ্রী লক্ষ্মী নারায়ণ (নূরপুর গ্রামে কৃষ্ণ জীবন রায় প্রতিষ্ঠিত) এর নিত্যসেবা আজও হয় কাছেরই ঠাকুর বাড়ীতে ।

13

রায় পরিবার আজ প্রধান ৫ ভাগে বিভক্ত (বড়, মেজ, সেজ, আড়াই আনি ও ছোট) ।  বাড়ীর দুর্গাপূজা পালা করে হয় এবং সেটা ঘুরে আসে ১৩ বছর পরে ।

এই বাড়িটির নাম জগত তারা আলয় (গৃহ দুর্গার নামানুসারে) । প্রসস্ত গাড়ি রাস্তার পরে এই পাঁচতলা বাড়ী । সামনেই বাগান , এবং কোনও গাড়ি চাইলে গতা বাড়িটি প্রদক্ষিণ করে নিতে পারে ।

23

16

18

শ্বেত পাথরের সিঁড়ি দিয়ে উঠেই সিঁড়ি যা চলে গেছে বার মহলে ও কাছারিতে। যেখান থেকে বাগান ও উঠোন দুদিক ই দেখা যায় ।  উঠোন দিয়ে ঢুকলে  দুই দিকে ঘরের সারি ও মাঝখান দিয়ে কাঠের চওড়া সিঁড়ি সমান্তরালে উঠে গেছে ।

14

28

17

15

26

8

9

চার তলার ছাদটি ঢাকা ও কারুকার্যে রাজস্থানি ছোঁওয়া পাওয়া যায় ।  এখান থেকে হাওড়া ব্রিজ ও বট কৃষ্ট পালের বাড়ীর প্যাগোডা সুন্দর ভাবে দেখা যায়, পাঁচতলা থেকে হুগলী নদী।

24

25

2

22

3

7

বাড়ীর রক্ষণাবেক্ষণ করার লোক সংখ্যা কমে আসছে, যদিও আজও ঈশ্বর যদুনাথ রায় ও ঈশ্বর প্রিয়নাথ রায় এর পরিবার বসবাস করেন ।

12

5

শহরে পথ চিত্রগ্রাহকের সংখ্যা নেহাৎ কম নয়, শোভাবাজার স্ট্রিট দিয়ে গঙ্গার ঘাটের দিকে যেতে অনেকেই একটি পুরনো ফিয়াট গাড়ি দেখে এই বাড়ীতে ঢুকে পড়েন । স্বর্গীয় নির্মল রায়ের এই  গাড়ীটি বোধহয় কলকাতার হলুদ ট্যাক্সির পরেই সব চেয়ে বেশি  দেখা যায় ফেসবুক ও ইন্সটাগ্রামে ।

20

এই ভাবেই আজও কলকাতার আনাচে কানাচে পড়ে আছে স্মৃতি ও স্বপ্ন ও স্থাপত্য ।

4

কৃতজ্ঞতা  – সুনন্দা রায়, ঋতুপর্ণা ও সুপর্ণা ।

 

http://www.theguardian.com/cities/2015/jul/02/calcutta-architecture-heritage-destruction-city-campaign-amit-chaudhuri

প্রামাণিক বাড়ীর পূজো

প্রামাণিক বাড়ীর পূজো

ডেঙ্গুর প্রকোপে লেখালেখি ও ক্যামেরা হতে শত হস্ত দূরে থাকবার পর আজ আবার লিখছি । যদিও পূজো  পার্বণ আর নেই এবং বাতাসে হিমেল হাওয়া, কিন্তু বাকি রাখা কাজ না, মোটে ভালো কাজ না । কালী পূজো নিয়ে এই লেখাটি তাই অকাল বোধন ই বটে ।

আমার পূর্ববর্তী লেখাটি ছিল একটি বাড়ীকে নিয়ে, আজ সেই বাড়ীরই পূজোর কথা বিস্তারে । প্রামাণিক বাড়ীর সঙ্গে আমার মামার বাড়ীর বৈবাহিক সুত্র বহু পুরনো । ঈশ্বর দাতারাম প্রামাণিকের প্রপৌত্র স্বর্গীয় বক্রেশ্বর প্রামাণিকের কন্যা স্বর্গীয়া কালিদাসি ছিলেন আমার দাদামশাই স্বর্গীয় প্রদীপ কুমার কুণ্ডুর ঠাকুমা । তো দেখতে গেলে এ বাড়ীর গল্প মানে আমার প্রপ্রমাতামহীর পিতৃকূলের পূজার বিবরণী ।

0

সাতঘর প্রামাণিক নামের এই বংশের বাস ৩০০ বছরের ও বেশী সময়ের । পূজা নাকী আরও পুরনো । স্বর্গীয় প্রসাদদাস প্রামাণিকের বংশ লতিকা শেষবার ১৩৩৭ সণে , মানে ৮৫ বছর আগে শেষ পুনর্ণবিকরন  করা হয়েছিল। তার অংশ বিশেষ দেওয়া হল যারা এখনও এই পূজোকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন ।

এ বাড়ীর কালী দক্ষিণা কালিকার রূপ ও কন্যা রূপেই পূজিতা ।  একই গড়নের মূর্তি তৈরি হয়ে আসছে, বহুদিন আগে সম্পূর্ণ বাড়িতেই বানানো হত, এখন মাটির কাঠামোটি বানিয়ে  আনার পর তার রঙ ও সাজ বাড়িতে করা হয় ।

1

2

3

4

বংশ পরম্পরায়ে চলে আসা এ পূজোয় দেবীর গয়না বহু পুরাতন , তবে এখনও অনেকেই কিছু সংযোজন করে থাকেন ।

7

পূজোর আগের দিন এই গয়না পরানো হয় ।  বাড়ীর প্রায় সকলেই এতে অংশ নেন ।  মায়ের চার হাতে ও ওপর হাতে থাকে সোনার অলঙ্কার । পায়ে মল, পায়েল রুপোর । এ ছাড়া বহুবিধ হার, সিতাহারে সাজানো হয়, থাকে কানপাশা, নথ । কোমরে হাতের কোমরবন্ধ, মাথায় সোনা ও রুপোর মুকুট , হাতে সোনা ও রুপোর  খাঁড়া ।  সোনার দাঁত -জীব , কপালে সোনার টিপ-অর্ধচন্দ্র, হাতে পিতলের মুণ্ড ।  মহাদেবের সাজ রুপোর, সঙ্গে দুই হাতে রুপোর শিঙা ও ডুগডুগি ।

5

6

8

9

10

11

এই সাজ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে বহুদিন আগে শোনা এক গল্পের কথা মনে পড়লো, এই সব কাহিনী জনশ্রুতি । একবার নাকি এক অতি বৃদ্ধা গয়না পড়ানোর ঠিক আগে এসে একটি নথ দিতে চান । প্রথা অনুযায়ী সবই লিখে রাখা হয় যে কে কি মা কে দিলেন । সেটা করবার সময় তিনি নাকি বলেছিলেন যে “কালীঘাটের বড়দি বলেছেন আমি ৩ টে নথ পেয়েছি, দুটো তোরা রাখ, তাই দিদির জন্য নিয়ে এলাম, আমারটা নিয়ে ঠনঠনিয়া যাব ”। যে কর্তা লিখছিলেন তিনি খাতা বের করতে ওঠায়, ফিরে এসে দেখেন বৃদ্ধা নেই, নথটি রাখা । তাঁর বিশ্বাস হয় যে স্বয়ং ঠনঠনিয়ার মা কালী এসে সেটি দিয়ে গেছিলেন ।

12

বিশ্বাসীরা মানবেন, তত্ববাদীরা বলবেন গল্প, তবে আজও বাড়ীর রোয়াকে বসে বয়স্করা এই সব গল্পই করেন ও সকলে শোনে । আলোর রোশনাই, ও ঢাকের বাজনায়ে ওদিকে পূজোর তোড়জোড় শুরু হয় ।

13

14

15

16
সমর কুমার প্রামাণিক                       ও                     গোলক প্রামাণিক

অমাবশ্যা পড়ে গেলে ঠাকুরমশাই রুপোর সিংহাসন হাতে বামুনবাড়ী থেকে নারায়ণ আনতে যান যাতে অনেকেই সঙ্গ নেন তাঁর ।

17

18

নারায়ণ দালানে চলে এলে শুরু হয় লক্ষ্মী নামানোর প্রক্রিয়া । বাড়ীর বিবাহিতা কোনও বধুই এটা করে থাকেন যিনি স্ত্রি আচার পালন করবেন শেষ অবধি । বন্দনা প্রামাণিক প্রতি বছরের মত এবারেও এই কাজটি সম্পন্ন করেন , সঙ্গে ছিলেন ছন্দা প্রামাণিক, ওঁর খুড়শাশুড়ি ।

19

20

21

22

25

23

এই বিধির পরে শুরু হয় পূজো । চৌকির একধারে সাজানো থাকে নৈবেদ্য । অন্যদিক ভরে যায় ভক্তের নিবেদনে, ফল – মিষ্টি , অবশ্যই ডাব ও চিনি ।

29

27

28

সঙ্কল্প করে শুরু হয় দক্ষিণা কালিকার আরাধনা । কিছু বছর আগেও এটা করতেন স্বর্গীয় নৃত্যলাল প্রামাণিক পুত্র  জগন্নাথ প্রামাণিক, বয়সজনিত কারণে এই ভার এখন স্বর্গীয় অমৃতলাল প্রামাণিক পৌত্র অমর কুমার প্রামাণিক নিয়েছেন ।

30

পূজো শুরুর পর বাড়ীর ছোটোরা পাশেই সিমলা ব্যায়াম সামিতীর মাঠে যায় বাজী ফাটাতে । অনেক ধরনের আতশবাজি  ও ফানুশ ওড়ানো হয়ে থাকে , যা দেখবার মতো ।

31

32

33

এ বাড়ীতে বহু মানুষ দণ্ডি কেটে এসে তাদের মানত পূর্ণ করেন ।

34

পূজো শেষের সময় যে কাছে, তা আরতির প্রস্তুতিতেই বোঝা যায় । ধাক, ঢোল, কাঁসর, ঘড়ি, ঘণ্টার মাঝে আরতি চলে ।

35

36

37

এর পর হয় হোম, সঙ্গে চলে ধুনো পোরানো, যারা মায়ের কাছে মানত করেছেন , তাদের । সকলেই উপবাসের পড়ে অঞ্জলির অপেক্ষায়ে থাকেন, শুরু হয় অঞ্জলি, তারপর চরণামৃত নিয়ে উপবাস ভঙ্গ ।

38

39

40

41

42

পূজো শেষে মা বরাভয় হাতে দাঁড়িয়ে থাকেন ভক্তের সামনে ।  সকালে দশমী পুজা ও প্রতিবিম্বে বিসর্জন ।

43

পরদিন সন্ধ্যায়ে বাড়ীর ছেলেরা  মা কে দালান থেকে উঠোনে নামান ও গয়না খুলে সম্পূর্ণ সাজ পরানো হয় মুকুট থেকে পায়ের মল পর্যন্ত । এর পড়ে বরণ , যাতে বাড়ীর বধূরা ও বিবাহিতা কন্যারাই অংশগ্রহন করেন । মেয়ে জামাই কে বরণ করে হাতে পানের খিলি দেওয়া হয় , মুখে মিষ্টি । এর পর সকলে মিলে সিঁদুর খেলায় মেতে ওঠে ।

44

45

46

47

48

49

50

51

52

সকলে প্রণাম করে নেওয়ার পর হয় কনকাঞ্জলি । এর পর প্রস্তুতি মা কে এবছরের মতো বিদায় জানানোর ।  সকলে ধরে মা কে গাড়িতে তোলেন , মা তখনও অভয়দাত্রি ।

53

54

55

বিসর্জন নিয়েও একটি কাহিনী বহুলচর্চিত । এক বার এক কর্তা বিসর্জনের পড়ে বাড়ী ফেরেননি, তো সকলে ভেবেছে হয়তো বা কোনও বন্ধুর বাড়ী চলে গেছে । সদর বন্ধ হওয়ার পরে পুরো ভেজা অবস্থায় উনি ফিরে দরজা ধাক্কা দিতে তা কেউ  খোলেনা, মা বলে দাক্তেই দরজার খিল কেউ ভিতর থেকে খুলে দেয় কিন্তু তাঁকে দেখা যায়না। তিনি নাকি পরে জানিয়েছিলেন যে বিসর্জনের সময় সবার অগোচরে ওনার পা পিছলে যায় ও তিনি গঙ্গায় তলিয়ে গিয়েছিলেন, কেউ তাঁকে মাথার চুলের মুঠি ধরে পারে এনে ফেলেছিল, কিন্তু তাকেও দেখা যায়নি । বিশ্বাস ভক্তি সব মিলেমিশে যায় ।

দশদিন পরেই এই বাড়ীতে নবমী তিথীতে হয় মা জগদ্ধাত্রীর পূজো । এখানেও গল্প আছে যে অনেকেই দেখেছেন দুটি রূপসী মেয়ে দুপুরবেলা দালানের ওপরের ছাদে দাঁড়িয়ে চুল শুকোচ্ছে, চুল নেমে গেছে উঠোন পর্যন্ত । সেটা দেখে সেই ছাদ পর্যন্ত যেতে যেতে তারা নাকি উধাও হয়ে যেতেন ।  পূজোর সময় এই গল্পগুলি শুনতে বেশ লাগে ।

56

57

58

এই পুজোগুলি ছিল পরিবারের মিলন মেলা, শিশুদের নতুন আনন্দ , মহিলাদের সেজেগুজে গল্পের আসর বসানো ও আগামী প্রজন্মের কাছে পুরাতনকে , ঐতিহ্যকে তুলে ধরা যা তাঁর বয়ে নিয়ে যাবে ।

59

60

61

এই লেখার অনেক ছবিই আমার তোলা, তবে…

62                               ছবি তুলে এই লেখাকে সমৃদ্ধ করেছেন  : অর্পিতা প্রামাণিক  ।

 

কৃতজ্ঞতা   :

সমর কুমার প্রামাণিক

মেনকা ও সব্যসাচী প্রামাণিক

মৌমিতা দাস